Friday, April 15, 2011
এবার একটা আওউল মাগিকে চুদলাম ইচ্ছে মত!
ডি এইচ এল এর উত্তরা ব্রাঞ্চে একটা আরজেন্ট ডকুমেন্ট পোস্ট করে রাস্তায় নেমে এসে মাত্র একটা সিগারেট ধরিয়েছি, হঠাত চোখ পরল মালটার উপর। আমি একটা সরকারি অফিসের প্রথম শ্রেনীর চাকর। শীতের বিকেল। আমার গায়ে একটা মার্জিত ব্লেজার। নিখাদ ভদ্র লোক আর কি। দেখে কেউ ভাবতেও পারবেনা, আমি অমন একটা মাল কে ফলো করছি। মেয়েটা সম্ভবত কোন গারমেন্টস এ চাকুরি করে। পরনে একটা সাধারন থ্রি পিচ, তার উপরে একটা বুক খোলা সুয়েটার। দুধ দুটো মিডিয়াম সাইজের। তার হাটার বৈশিষ্ট হলো হাত দুটো বেশ ঝাকিয়ে ঝাকিয়ে হাটছে। আমি তার পিছনে হাটতে হাটতে এমন একটা পজিসন এ চলে আসলাম যে তার ডান হাত টা সজ়োরে পেন্ট এর উপর দিয়ে আমার ধোন এর উপরে এসে পরল। আমি আরামে “ওক্ক” করে উঠলাম। আর তার প্রতিক্রিয়া টা হলো দেখার মতো। সে ইলেক্ট্রিক শক খাওয়ার মত চমকে উঠে “আউউ” জাতীয় একটা আওয়াজ করলো। তারপরে লজ্জা আর মজা মেশানো এমন একটা কামুক হাসি দিয়ে আমার দিকে তাকাল যে আমার ধোন বাবাজী আন্ডার ওয়ার এর ছোট পরিসরের ভিতরে থাকতে প্রবল আপত্তি জানাতে লাগলো, এমনভাবে ফুলে ফেপে উঠল যে আমার পেন্ট এর উপর দিয়েই তা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিলো। এ অবস্থায় আমি তার চোখে চোখ রেখে একটু হাসি দিয়ে আবার তার পিছনে চলে আসলাম, তাকে ইঙ্গিত দিলাম যে আমি আবার আমার ধোন টা তার হাত দিয়ে ধরাতে চাই। সে বুঝলো এবং দুজনই প্রস্তুত থাকায় এবার তার হাত আমার বড় ধোনের প্রবল অস্তিত্ত খুব ভাল ভাবেই ফিল করলো। আমাদের এই কান্ড কৃত্তী ঘটতেছিলো রাস্তার অসংখ্য মানুষের ভীড় এর মাঝে। আমরা হাটছিলাম উত্তরার ভিতরের দিকে। এ বারে আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম “কোথায় যাবেন। চলুন, রিকসা নেই।“ সে হাসলো। তারপর আমার ফুলে ওঠা ধোনের দিকে আড়চোখে তাকাতে তাকাতে জানাল, সে আসলে যাবে চেরাগ আলি। সামনের একটা কুরিয়ার সার্ভিস এ কি একটু কাজ আছে, তার পরে। আমি তাকে জানালাম, আমিও ওই দিকেই যাবো। আপনি কাজটা শেষ করে আসুন। বলতে বলতে কুরিয়ার সার্ভিস এর দোকানটা এসে পড়লো। সে দোকানে ঢুকে পড়লো, আর আমি ওয়েট করতে করতে ভাবছিলাম, কি ভাবে চুদব। খুব বেশি ওয়েট করতে হলো না। মিনিট পাচেক বাদেই দেখলাম সে দোকান থেকে বেরুচ্ছে। আমি তাকে দেখতে পেয়েই একটা রিকশা ঠিক করে ফেললাম, আব্দুল্লাহ পুর পর্যন্ত। কোন কথা ছাড়াই দু জন রিক্সায় উঠে পড়লাম। সে বাম পাশে। রিকসায় উঠেই আমি তার হাতটা হাতে নিলাম। আর তার বুড়ো আঙ্গুল আর অন্য আঙ্গুল গুলো দি্যে একটা বৃও বানিয়ে তার মধ্য দিয়ে আমার আঙ্গুল ঢুকিয়ে আঙ্গুল ঠাপ দিতে থাকলাম। সে একটু লজ্জা মেশান হাসি দিয়ে আমার আঙ্গুল টাকে চেপে ধরলো। আমাকে জানালো, সে ঢাকায় এসেছে মাত্র ১৫ দিন আগে । আর আজকেই প্রথম একা একা বাইরে বেরিয়েছে। জানা গেলো সে রঙপুর এ সে একটা কি এনজিও অফিস এ চাকুরি করতো। কোন কারনে চাকুরি ছেড়ে দিতে হয়েছে। কথা বলতে বলতে আমি আমার হাতটা ছাড়িয়ে এনে তার থাই এর উপরে রেখে চাপতে শুরু করলাম।
Labels:
বাংলা চটি
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment